দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে আছে বুদ্ধপূজা,চৈত্য বন্দনা,শীল গ্রহণ,সংঘদান, অতিথি ভোজন ও মেলা। প্রতিবছর বিষুব চৈত্র সংক্রান্তি তিথিতে ৩০ চৈত্র/১৩ এপ্রিল এ মেলা বসে। মেলায় তরমুজ, বাঙ্গি, তুলা, জালসহ ও নানান রকম গ্রামীণ পণ্যের পসরা বসে। দুর দুরান্ত থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ছাড়াও নানা ধর্মের মানুষের সমাবেশ ঘটে।
ভান্ডারগাঁও তিরতন বিহারের উপাধ্যক্ষ ভান্তে প্রজ্ঞামিত্র ভিক্ষু বলেন।
কথিত আছে,এ পবিত্র পুণ্যতীর্থে তথাগত বুদ্ধ বার্মা যাওয়ার পথে তৎকালীন রাজার প্রার্থনায় বিশ্রাম করেছিলেন। প্রাচীন কালে চক্রশালা রাজধানী ছিল।প্রচুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল।বর্তমানে কোন বৌদ্ধ নাই।শুধু ছবিতে দেখা চৈত্যটি বিরাজমান। বৌদ্ধরা এই তীর্থকে জিরানী খোলা ও বলে থাকেন। কোন ফাং ছাড়া শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু উপস্হিত থাকেন। আট/দশ হাজার পুণ্যার্থী কোন নিমন্ত্রণ ছাড়া প্রত্যেক বছর উপস্হিত থাকেন।ভক্তদের মিলন মেলায় পবিত্র স্হানটিলোকারন্য হয়ে থাকে। সকাল সাতটায় জোয়ারের মত ভক্তদের উপস্হিতি ও দুপুর একটায় ভাটার মত লোকজন
জয় দেব