কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার বাঘচান্দা বাজারে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘটিত এক সন্ত্রাসী হামলায় মিজানুর রহমান শরীফ (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত মিজানুর রহমান শরীফ, পিতা আলিমুদ্দিন, গ্রামের বাড়ি হোসেনপুর উপজেলার উত্তর গৌবিন্দপুর গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যায় আনুমানিক ৬টার দিকে মিজানুর রহমান শরীফ তার নিজস্ব দোকানে গেলে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসী মজিবুর রহমান তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করে। পরে বাজারের লোকজন মজিবুরকে আটকানোর চেষ্টা করলে সে পালানোর আগে আরও দুইজন—উজ্জ্বল মিয়া ও মাসুদ রানা—কে ছুরি মেরে আহত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় মিজানুর রহমানকে প্রথমে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে আহত উজ্জ্বল মিয়া ও মাসুদ রানা বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মতে, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। তবে নিহতের পরিবার দাবি করেছে, এই সন্ত্রাসী হামলায় নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা সরাসরি জড়িত:
১. মজিবুর রহমান, পিতা মঞ্জু মিয়া২. মঞ্জু মিয়া৩. আতাউর রহমান, পিতা মঞ্জু মিয়া৪. বোরহান মিয়া, পিতা মঞ্জু মিয়া৫. ইয়াছিন, পিতা রেনু মিয়া৬. জরিপ মিয়া, পিতা রেনু মিয়া৭. রেনু মিয়া, পিতা মৃত মইছু৮. আলামিন মিয়া, পিতা রেজাক৯. মামুন মিয়া, পিতা রেজাকসবার বাড়ি উত্তর গৌবিন্ধপুর৷
এ বিষয়ে হোসেনপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।