Logo
প্রিন্টের তারিখ: 23 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 23, 2026

News Headlines : সংস্কারের অভাবে,বেহাল দশা কিশোরগঞ্জ পৌরসভার অধীনস্থ রাস্তা । ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ।

সংস্কারের অভাবে,বেহাল দশা কিশোরগঞ্জ পৌরসভার অধীনস্থ রাস্তা । ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সতাল আলী হোসেনের দোকান হতে পূর্ব তারাপাশা আলী হোসেনের বাড়ীর মোড় হয়ে জেলা খাদ্য গুদাম পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। খানাখন্দে ভরা রাস্তা বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। 

এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা। প্রায় ঘটছে ছোট-বড় নানা দুর্ঘটনা। সেই সঙ্গে শীতে রয়েছে ধূলো-বালির উপদ্রব। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পৌরসভার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে থাকলেও রাস্তাটি সংস্কারে কিশোরগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষের নেই কোনো উদ্যোগ।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সবচেয়ে অবহেলিত হলো ৭ নং ওয়ার্ডের পূর্ব তারাপাশা এলাকা। 

যেখানে নেই কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পরিকল্পিত সড়ক। এ এলাকার বাসিন্দারা সামান্য বৃষ্টিতেই ঘর থেকে বের হতে পারে না। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে না। সড়কের যে অবস্থা তাতে যানবাহন চলাতো দুরের কথা মানুষ চলা দায়।

এলাকা থেকে শহরে প্রবেশের একমাত্র সড়ক। বর্তমানে বেহাল দশা। বিগত ২৫ বছর যাবৎ এই সড়কে পৌরসভা কর্তৃক কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। এই এলাকা থেকে শিক্ষার্থীর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিভিন্ন স্কুল কলেজে যেতে হয় 

বর্তমানে সড়কটির খুবই বেহাল দশা। স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে চাকুরীজীবী ও সাধারণ পথচারীদের জন্য এই সড়কটি এখন ভোগান্তির চরম পর্যায়ে। এ বিষয়ে এই ওয়ার্ডের তিন বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম আরজুর উপর রয়েছে এ এলাকার মানুষের ভীষন ক্ষোভ। কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সব ওয়ার্ডের কাজ হলেও অবহেলিত রয়ে গেল এই পূর্ব তারাপাশা এলাকার রাস্তাটি।

সড়কের মাঝখানে থাকা বড় বড় গর্ত অটোরিকশাসহ কোন যানবাহনই এই সড়কে চলার উপযুক্ত নয়। বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নেয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজারো মানুষ।
অটোরিকশা চালক  সবুজ,  হাসান আলী  বলেন, আমরা গরীব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। রাস্তার কারণে গাড়ীর পেছনে যত টাকা খরচ হয়, তাতে আমাদের পরিবার নিয়ে দুবেলা দুমুঠো খাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের সতাল হতে পূর্বতারাপাশা পর্যন্ত রাস্তার একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা এসব রাস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। এদিকে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় পিচ, পাথর ও খোয়া উঠে মাটি বের হয়ে রাস্তাই তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এইসব রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন পথচারীরা। ধূলো-বালির আস্তরনে ঢাকা পড়ছে রাস্তার আশেপাশের বাড়িগুলো।

 দশ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে আধা ঘণ্টার ও বেশি সময়। সময় অপচয় হওয়ার পাশাপাশি গুনতে হচ্ছে ভোগান্তি। বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীদের। অথচ দেখে বোঝার উপায় নেই, একসময় পিচের আস্তরণে ঢাকা ছিল রাস্তাটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাধীন ৭১ কে  জানান, আমরা শহরতলীর বাসিন্দা, শহরের প্রাণ কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য আমরা এ সড়ক ব্যবহার করি। বর্ষায় সড়কের ৯৭% স্থানে পানি জমে। বর্তমানে পৌরসভা কর্তৃক এ সড়কের আংশিক কাজ শুরু হয়েছিল গত বছর কিন্তু হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু কেন বন্ধ হলো তা কেউ বলতে পারেনা। এ বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলীর নজর দেয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত সময়ের এই সড়কের সংস্কার কাজটি কিশোরগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ করে দিবে।
বিগত তিন বারের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম আরজু ইনকিলাবকে জানান, “ আমি চার বার এই রাস্তাটির মেপে সাবেক আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচিত পৌর মেয়র মো. পারভেজ মিয়াকে তাগিদ দিয়েছি। কিন্তু বার বার ফান্ডের অজুহাত দেখিয়ে রাস্তাটির কাজ তিনি করেননি।

এসব বিষয়ে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম ইনকিলাবকে জানান “কার্পেটিং এর কাজ আগামী সেপ্টেম্বরের দিকে করা হবে। এমনিতে খানাখন্দ বা গর্ত থাকলে সেগুলো ভরাটের ব্যবস্থা শিঘ্রই আমরা পৌরসভা থেকে করে দিবো।
All Rights Reserved By Shadin Ekattor News
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF