ভোলা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ শরীফুল হক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), ভোলা এবং সহকারী পুলিশ সুপার, তজুমদ্দিন সার্কেল, ভোলা মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে গঠিত একটি চৌকস দল তজুমদ্দিন থানায় গত ০৬/০৭/২০২৫ ইং তারিখে রুজুকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯(১)/৩০ ও পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(১)/৮(২) ধারার এজাহারনামীয় দুই আসামীকে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী গত ১০/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ অনুমান রাত ১২:১৫ ঘটিকার সময় ভিকটিম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের পেছনের পুকুরপাড়ে গেলে, পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ০১নং আসামী গিয়াস উদ্দিন ০২নং আসামী রাসেল এর সহায়তায় মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ০২নং আসামী উক্ত ঘটনার ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে এবং পরবর্তীতে ভিডিওটি দেখিয়ে ভিকটিমকে ভয়ভীতি ও মানসিক নির্যাতন করে পুনরায় কুপ্রস্তাব প্রদান করে।
মামলাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে ০১নং আসামী গিয়াস উদ্দিন -কে বোরহানউদ্দিন থানাধীন চর লতিফ এলাকা থেকে এবং ০২নং আসামী রাসেল -কে লালমোহন থানাধীন চর কচুয়াখালী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সকল আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ভোলা জেলা পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য ও সামাজিকভাবে বিপর্যয়কর অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আমরা সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সমাজে ঘটে যাওয়া যেকোনো অপরাধ বা অসঙ্গতির বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। আপনার সচেতনতা ও সহায়তাই পারে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে।